হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, ইসলামী মাজহাবসমূহের বিশ্ব সংহতি পরিষদের মহাসচিব এক বার্তায় সাম্প্রতিক আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে ইসরায়েলি সরকারের সম্পর্কের প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো এবং ইসলামী দেশগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদারের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ইরানের সঙ্গে আঞ্চলিক দেশগুলোর সম্পর্ক জোরদারের প্রয়োজন
তিনি পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর ইরান ও ইসরায়েল সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গির প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলো বর্তমানে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে নিজেদের অবস্থান যাচাই করছে। প্রশ্ন হলো-কে বন্ধু, আর কে শত্রু?
ইসলামী মাজহাবসমূহের বিশ্ব সংহতি পরিষদের মহাসচিব বলেন, রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাদের উচিত কূটনীতির মাধ্যমে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ইরানের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা এবং ইসরায়েলি সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ প্রতিরোধে কাজ করা।
ইসলামী ভ্রাতৃত্বের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্থান একটি সুযোগ
তিনি ভবিষ্যতে আঞ্চলিক দেশগুলোর জন্য প্রতিবেশীভিত্তিক ভূগোলের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, আমাদের ভবিষ্যৎ প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের ভৌগোলিক বাস্তবতার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত।
ইসলামী মাজহাবসমূহের বিশ্ব সংহতি পরিষদের মহাসচিব তাঁর বার্তার শেষাংশে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্থান ইসলামী ভ্রাতৃত্ব জোরদার এবং পারস্পরিক সম্পর্কের সংস্কারের একটি সুযোগ।
আপনার কমেন্ট